সৌদি আরবে একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার তিনজন এবং নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাতজনসহ মোট ১০ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
রোববার (৯ আগস্ট) সৌদি আরবের ওই সোফা তৈরির কারখানায় আগুন লাগলে তারা নিহত হন।
নিহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের চারজন, বিষা গ্রামের দুজন এবং পারকাসুন্দা গ্রামের একজন রয়েছেন। এছাড়া নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার তিনজন রয়েছেন।
নলডাঙ্গার নিহত তিনজন হলেন—খাজুরা ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের মো. জাকির হোসেনের ছেলে শামীম আহমেদ (৩৫), খাজুরাশ্রীপুর পাড়ার গোলাম রাব্বানীর ছেলে সাব্বির হোসেন শুভ (৩০) এবং মহিষডাঙ্গা গ্রামের আসলাম হোসেনের ছেলে রবিউল আউয়াল হৃদয় (২৫)।
রোববার রাতে নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল ইমরান খান, খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন এবং আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নলডাঙ্গা ইউএনও ও খাজুরা ইউপি চেয়ারম্যান জানান, নিহত শামীম, সাব্বির ও হৃদয় সৌদি আরবে গিয়ে ওই সোফা তৈরির কারখানায় কর্মরত ছিলেন। রোববার কারখানায় আগুন লাগলে তারা নিহত হন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নলডাঙ্গা ইউএনও জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানানো হবে। পাশাপাশি মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে সৌদি আরবে গিয়ে ওই সোফা তৈরির কারখানায় কাজ করছিলেন সাতজন। অগ্নিকাণ্ডে তাদের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
Modern Television