ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাটি তদন্তে সরকার একটি কমিটি গঠন করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে চমেক হাসপাতালে আহত এক শ্রমিককে দেখতে গিয়ে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মালিকপক্ষের গাফিলতি পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে থাকবে সরকার। এরই মধ্যে মালিকপক্ষ নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থলে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও কাজ করছে।
বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নিহত আটজনের মধ্যে সাতজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীর সানী জলদাশ (২২), পলাশ জলদাশ (২৭), মুনছুর আলী (৪০), নাসির উদ্দিন (৩৮), জামালপুরের হাবীবুর রহমান, গাইবান্ধার খোকন এবং আব্দুল আমীল রানা।
এদিকে জাহাজভাঙা শিল্পের সংগঠন বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ) ঘটনাটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
ইয়ার্ড মালিক ফেরদৌস ওয়াহিদ জানিয়েছেন, আহতদের উন্নত চিকিৎসা এবং নিহতদের পরিবারকে সরকারি বিধির পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।