ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কার্যালয়ে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ জানান, মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান এবং সমর্থক স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্নেল অলি আহমদও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন এবং তার পক্ষ থেকেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, জুলাই সনদের অক্ষর, দাঁড়ি, কমা ও বিন্দু বাস্তবায়ন করা হবে। তবে নতুন করে সংবিধান লেখা হবে না। সংবিধানের কোনো একটি কমা পরিবর্তন করলেও সেটি সংশোধন বা সংস্কারের অংশ হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর সংবিধান তৈরি করতে সব পক্ষের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে কে আসবেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ হুইপ বলেন, এ মুহূর্তে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার’ ও ‘সংশোধন’ শব্দ দুটির বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। ভারতের সংবিধান নতুন করে লেখা হয়নি; বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশেও নতুন করে সংবিধান লেখা হবে না, বরং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা হবে।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সব পক্ষকে আলোচনায় আহ্বান করা হয়েছে। সবার মতামত নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি কার্যকর সংবিধান সংশোধন করতে চান তারা। সংবিধান দীর্ঘ সময়ের জন্য রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও সবার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।